ঘরে বসে ব্লগিং করে আয়ঃ

(দয়া করে সস্তা কোন একটা পোস্টের মতো মনে করবেন না এই আর্টিক্যালটিকে। কারন এখানে এমন কিছু বলা আছে যা আপনার ভাবনাকে সঠিক পথে এনে জীবনটাকেই বদলে দিতে পারে)

এ আর্টিক্যাল টি পড়া শেষে আমরা জানতে পারবঃ
– ব্লগিং কি।
– ব্লগিং কি চাকুরী না বিজনেস? 
– কিভাবে একটা ব্লগ থেকে আয় করা যায়।
– কাদের জন্য এ প্রফেশন।
– ব্লগিং করে সফল হবার উপায়।

ঘরে বসে আয়ের ব্যাপারটা গত প্রায় এক দশক ধরে শুনতে শুনতে মানুষ যেন ক্লিশে হয়ে গিয়েছে। এখন আর ব্যাপারটাতে তেমন কোন শিহরণ জাগে না যেমনটা হত পাচ ছ বছর আগে।

তাহলে কেন আবার এ নিয়ে কথা বলছি?চমক আছে বলেই বলছি। সেটা জানতে হলে পড়তে হবে পুরো আর্টিক্যালটি একটু ধৈর্য নিয়ে। আশা করি তা আপনার আছে। কারন আয় করার বৈধ এবং প্রমাণিত পথের কথা কে না শুনতে চায়? 

জি হ্যা, কথা বলব ব্লগিং নিয়ে যা করে পৃথিবীর হাজার হাজার মানুষের মতো আপনিও অনলাইনে একটি সফল ক্যারিয়ার দাড় করাতে পারেন একটু চেষ্টা করলেই। 

তবে আপনাকে কথা দিতে হবে আপনি কেবল শুনবেন ই না কাজেও করে দেখাবেন। তাহলেই এটা লেখা সার্থক হবে আমার।

তো চলুন ভূমিকায় যতি টেনে আমরা সরাসরি কাজের কথায় ঢুকে পড়ি।

ঘরে বসে আয়ের যতগুলো ব্যাপারের সাথে পরিচিত তার বেশিরভাগই হল ফ্রিল্যান্সিং করে আয় নির্ভর। অর্থাৎ কিছু স্কিল ডেভেলপ করে একটা মার্কেটপ্লেসে নিজের একাউন্ট তৈরি করে বায়ারের কাজের কন্ট্রাক্ট নিয়ে তা করে দিয়ে টাকা আয় করা। এমন কিছু  মার্কেটপ্লেস হল upwork, people per hour, guru। আপনিও হয়তোবা শুনে থাকবেন এগুলোর কথা।

তবে আমি আজ যে অনলাইন ইনকামের উপায়ের কথা বলব সেটি কিন্তু কোন ফ্রিল্যান্সিং টাইপের কিছু না। একেবারেই আলাদা একটা জিনিস। শিরোনামে দেখেছেন শব্দটা। ব্লগিং। ব্লগিং করে কিভাবে আয় করবেন তাও আবার ঘরে বসেই সেটি নিয়েই আজ আপনার সাথে আমি বিস্তারিত আলাপ করব। 

একটু বলে নিই সবাই যেখানে ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে কথা বলে আমি সেখানে কেন ব্লগিং নিয়ে কথা বলছি। আমি অনেক সফল ফ্রিল্যান্সার কে চিনি যারা অনেক বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে ফ্রিল্যান্সার হয়েছেন। কাজ করাটাই তাদের নেশা, ধ্যান। তবে ফ্রিল্যান্সাররা কিন্তু জবই করেন দিনশেষে। আর আমি অন্যের জন্য কোটি টাকার কাজ করে দেয়ার চেয়ে বরং নিজের মত কিছু করাকেই সব সময় বেশি প্রাধান্য দিয়ে এসেছি। আর ব্লগিং আপনাকে সে পথের সন্ধানই দিবে যে পথ সৃষ্টি করবেন আপনি নিজে, হবেন সে পথের কিংবদন্তি। ব্লগিং একটা বিজনেস, ফ্রিল্যান্সিং এর মতো কোন চাকুরী নয়। যারা অন্যের কাজ করে সফল পেশাজীবি হতে চান তাদের এই আর্টিক্যাল পড়া এখানেই শেষ করে দেয়া ভাল হবে। আর যদি আপনি অনলাইন উদ্যোক্তা হয়ে নিজের ব্যাবসা থেকে ঘরে বসে উপার্জন করে স্বাবলম্বী হতে চান তাহলে আর্টিক্যাল এর বাকী অংশে আপনাকে সুস্বাগতম।

প্রথমেই আসুন জেনে নিই ব্লগিং ব্যাপারটা আসলে কী সে সম্পর্কে।

সংক্ষেপে বলতে গেলে ব্লগিং হল কোন একটা সুনির্দিষ্ট  বিষয়ের উপর নানা ধরনের ভ্যালু এডিং কন্টেন্ট তৈরি করা। ব্যাপারটা আরেকটু বুঝিয়ে বলা যাক। যেমন, ধরুন ফার্নিচার একটা বিষয় বা ক্যাটাগরি যা ঘর সাজাবার একটি অবিচ্ছেদ্য উপাদান। এর উপর যদি আমরা একটা ব্লগ বানাই তাহলে এখানে ফার্নিচার সম্পর্কিত নানা রকম টপিক নিয়ে কন্টেন্ট থাকবে। কন্টেন্ট এর মধ্যে থাকতে পারে টেক্সট আর্টিক্যাল, ইমেজ বা ভিডিও। এসব কন্টেন্টে ফার্নিচারের নান রকম বিষয় আসয় সম্পর্কে বলা হবে যেগুলো পড়ে বা জেনে মানুষের উপকার হয়। যেমন কাঠের ফার্নিচারের যত্ন কিভাবে নিতে হবে, কিভাবে সেগুন কাঠের ফার্নিচার চেনা যাবে, কিভাবে ফার্নিচার রং করা হয় , ভাল মানের ফার্নিচার কোথায় পাওয়া যায়, ফার্নিচারের দাম দস্তুর কেমন ইত্যাদি ইত্যাদি। কি কি টপিক নিয়ে লিখবেন সেটা আসলে নির্দিষ্ট নয়। ইচ্ছেমতো টপিক নিয়ে লিখতে পারেন আপনি। কেবল খেয়াল রাখা লাগবে কন্টেন্টগুলো   যেন মানুষের জন্য উপকারী আর নির্ভুল তথ্যনির্ভর হয়। এরকম কিছু ব্লগ সাইটের উদাহরণ হল supermom.com, shajgoj.com,

তো ঘরে বসে একটা সাইট বানিয়ে ব্লগ লেখা শুরু করলেন। লিখেও ফেললেন বেশ কিছু ব্লগ।  এখন এখান থেকে ইনকাম কিভাবে হবে?

হুমমম।  মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন। আর আমিও এই আর্টিক্যাল এর শিরোনামে বলেছি ব্লগ থেকে আর্নিং করার উপায় বলে দিব। তাহলে আসা যাক ব্লগের মনেটাইজেশন নিয়ে আলোচনায়।

আচ্ছা ব্লগ নিয়ে যখন কথা বলছিলাম তখন আপনাদের সামনে ব্লগের একটা অবয়ব ফুটে উঠেছেনা ? একটা ব্লগসাইট হল এমন একটা জায়গা যেখানে কোন একটা বিষয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যার  সমাধানমূলক অনেক আর্টিক্যাল থাকবে আর লোকেরা আসবে সেসব পড়ে উপকৃত হতে। ধরা যাক আপনার ফার্নিচারের ব্লগটিতে সারা মাসে মোটামুটি হাজার পাচেক মানুষ আসে ব্লগ পড়তে। তো এটা ধরে নেয়াই যায় যে এসব মানুষের ফার্নিচার আছে বা এরা ফার্নিচার কিনতে আগ্রহী। তাহলে এই মানুষদের টার্গেট করে কি ফার্নিচার কোম্পানিগুলো আপনার সাইটে এড দিতে পারেনা? এটাকি লজিক্যাল?  এটাই লজিক্যাল যে ফার্নিচার কোম্পানিগুলো এই ৫০০০ লোকের কাছে তাদের ফার্নিচার উপস্থাপন করাবার সুযোগটা নিতে চাইবে আর আপনার সাইটে এসে এড দিবে। আর এড নিশ্চয়ই আপনি এমনি এমনি দিতে দিবেন না!  টাকার বিনিময়েই দিতে দিবেন। প্রথম আয়ের পথ পেয়ে গেলেন কিন্তু। ব্লগ সংশ্লিষ্ট কোম্পানি থেকে এড।

এছাড়া আরো নানা রকম এড এর অফার আপনি পাবেন মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানি, ই কমার্স ভিত্তিক  কোম্পানির কাছ থেকে। দুই নম্বর আয়ের পথ।

গুগল এসে এড দিয়ে যাবে আপনার সাইটে। এজন্যে গুগল এডসেন্স এ এপ্লাই করা লাগবে কষ্ট করে। এপ্রুভ হয়ে গেলেই পেতে থাকবেন এড। আর সেসমস্ত এডে মানুষ ক্লিক করলেই পেতে থাকবেন সেন্ট (ডলার)। তিন নম্বর আয়ের পথ।

মানুষকে বিভিন্ন কোম্পানির ফার্নিচার রেফার করে কমিশন পেতে পারেন। চার নম্বর আয়ের পথ।

আসুন এবার দেখে নিই আপনার ব্লগ সাইটটি থেকে আয় রোজগার কেমন হতে পারে তার একটা ধারণা।

গুগল এডসেন্স থেকে আয়ঃ

ধরা যাক ৫০০০ ভিজিটর প্রতি মাসে সাইটে আসে। এখান থেকে যদি ১০% এডে ক্লিক করে তাহলে সংখ্যাটা দাড়ায় ৫০০। এখন প্রতি ক্লিকে যদি ২০ সেন্ট করেও আপনি পান তাহলে ৫০০ ক্লিক থেকে পাবেন ১০০ ডলার। বাংলাদেশী টাকায় যার ভ্যালু প্রায় ৯০০০ টাকা। তার মানে যত বেশি ভিজিটর তত বেশি আয় করার সম্ভাবনা। আমার হিসেবে সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে মাসে ৫০০০ ভিজিটর আনা খুব একটা কষ্টের ব্যাপার না। আর ভাল কন্টেন্ট হলে তো কথাই নেই।

লোকাল এড থেকে আয়ঃ
আগেই বলেছি আপনার ফার্নিচার ব্লগে অনেক ফার্নিচার কোম্পানি এসে এড দিতে পারে। যত বেশি ভিজিটর আসবে তত বেশি টাকা চার্জ করতে পারবেন। আমার হিসেবে সংখ্যাটা হাজার বিশেকের কম নয় প্রতি মাসে যদি ৫০০০ ভিজিটর থাকে। এড এর ফি নির্ভর করে আপনার দরকষাকষি করার ক্ষমতার উপর।

এফিলিয়েট কমিশন থেকে আয়ঃ
আপনি যেহেতু অনেক ইনফরমেটিভ আর্টিক্যাল লিখে মানুষকে হেল্প করছেন সেহেতু মানুষও আপনাকে বিশ্বাস করতে শুরু করেছে। আপনার কথায় আস্থা রাখতে পারছে। সংগত কারনেই  অনেকেই আপনার কাছে ফার্নিচার কেনার ব্যাপারে সাজেশন চাইবে। ধরেন কেউ আপনার কাছে সোফা সেট কেনার ব্যাপারে সাজেশন চাইল। তখন আপনি যে ফার্নিচারের নাম বলে দিবেন ন্যাচারালি উনি কিন্তু সেখান থেকেই ফার্নিচার কিনবেন। ধরেন আপনি এমন একটা ফার্নিচারের নাম রেফার করলেন যার সাথে আপনার আগে থেকেই চুক্তি হয়ে আছে যে একটা সোফা সেট রেফার করলে আপ্নাকে ৫০০০ টাকা কমিশন দিবে। তাহলে সেই ব্যাক্তিকে সোফা সেট কিনিয়ে দিয়ে আপনি ৫০০০ টাকা কমিশন লাভ করলেন। মাসে যদি এমন ৫টাও কাজ করেন ৫০০০০ টাকা চলে আসবে। হিসাবটা হল যত ট্রাস্ট আপনি অর্জন করতে পারবেন তত বেশি মানুষকে আপনি রেফার করতে পারবেন।

তাহলে এই হল ব্লগিং আর এর থেকে উপার্জনের একটা মডেল। এভাবে লাইফটাইম আপনি এখানে ভাল মানের কন্টেন্ট পাবলিশ করতে থাকবেন আর নানাভাবে আয় করতে থাকবেন। একসময় সংখ্যাটা যে লাখ ছাড়িয়ে যাবে তা বলাই বাহুল্য। তবে সময় দিতে হবে,  লেগে থাকতে হবে অন্তত ছয় মাস। এটা কোন চাকুরী নয়, এটা বিজনেস, মনে রাখতে হবে সব সময়।

যাদের জন্য ব্লগিং আদর্শঃ
– ছাত্র যারা সপ্তাহে অন্তত ৮ ঘন্টা ফাকা টাইম থাকে।
– যারা অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে চান।
– চাকুরির পাশাপাশি কিছু করতে চান ।
– পড়াশোনা জানেন বা ঘাটাঘাটি করতে ভাল লাগে।
– ক্যারিয়ার নিয়ে হতাশ বা বেকার জীবন কাটাচ্ছেন। 
– যারা চাকুরী করতে চান না এবং জীবনে স্থায়িভাবে কিছু করতে চান।

যারা শর্টকাটে কোন শ্রম না দিয়ে অনেক টাকা আয় করতে চান ব্লগিং তাদের যম। ভুলেও ব্লগিং না করতে তাদের আগাম পরামর্শ দেওয়া গেল।

শেষ কথা। আগেই বলেছি যে ব্লগিং কিন্তু একটা বিজনেস। কাজেই একেবারে খালি হাতে আপনি শুরু করতে পারবেন না এটা। অন্তত ওয়েবসাইট বানানোর মত হাজার দশেক টাকার ইনভেস্টমেন্ট  থাকাটা একান্ত বাঞ্চনীয়। তবে আমার মনে হয়না ১০ হাজার টাকায় এরচেয়ে ভাল কোন অনলাইন বিজনেস মডেল আর আছে যেটা ফলো করে সারা বিশ্বে হাজারো মানুষ সফল হয়েছে! সফল হতে পারেন আপনিও।

আর্টিক্যাল মোটামুটি শেষ। এবারে দেখি আপনারা কি ভাবছেন।

আপনাদের মনে অসংখ্য প্রশ্ন ইতোমধ্যে এসে জমা হয়েছে আমি জানি। আসুন সেসব নিয়ে এবার কথা বলি।

> আপনি যত বললেন তত আয় করতে পারব?
– এর চেয়ে বেশিও করতে পারবেন। পুরোটা নির্ভর করবে আপনার কাজের উপর। কাজ না করলে তেমন কিছুই আয় করতে পারবেন না। এটাই সত্যি কথা। 
> সব ই তো বুঝলাম। কিন্তু ব্লগ করতে হলে কি কি করতে হবে?
– ভাল প্রশ্ন। ব্লগ করতে হলে প্রথমেই এমন একটা বিষয় নির্বাচন করতে হবে যেটা আপনার ভাল লাগে এবং মানুষ এর জীবন ঘনিষ্ঠ । যেমন আপনি যদি ফটোগ্রাফার হন তাহলে ফটোগ্রাফি নিয়ে সুন্দর একটা ব্লগ করতে পারেন, যদি খেলাধুলায় আগ্রহ থাকে তাহলে ফুটবল বা ক্রিকেট নিয়ে একটি তথ্যবহুল ব্লগ করতে পারেন। এরকম আরকি। ব্লগের বিষয় নিয়ে কোন বাধাধরা নিয়ম নেই। সে বিষয়ে আপনার আগ্রহ থাকাটা আর বিষয়টি মানুষের জন্য দরকারী হলেই চলবে।
২০ টি জনপ্রিয় ব্লগ ক্যাটাগরির লিস্ট দেখুন এখানে।

এরপর একটা সুন্দর, সিম্পল ওয়েবসাইট করতে হবে অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে। তার আগে কিওয়ার্ড সার্চ করে একটা সুন্দর ডোমেইন কিনে নিবেন সেই সাথে হোস্টিং নিয়ে নিবেন মোটামুটি মানের রেপুটেড কোম্পানি থেকে যেন কম টাকায় ভাল সার্ভিস পান। আমরা এক্ষেত্রে রেকমেন্ড করি নেমচিপকে।
ভাল মানের ডোমেইন নেইম খুঁজে পেতে হেল্প লাগলে কল করুনঃ ০১৭৪০৯১৩৭৮৯

বিশেষ ডিস্কাউন্টে সুন্দর একটি ব্লগ ওয়েবসাইট বানাতে এখনি যোগাযোগ করুনঃ ০১৭৪০৯১৩৭৮৯

> ভাল মানের আর্টিক্যাল কিভাবে লিখব?
– ভাল মানের আর্টিক্যাল লিখতে হলে প্রচুর পড়তে হবে আপনাকে। আর যদি সে বিষয়ে আপনার আগে থেকেই জানাশোনা থাকে তাহলে তো খুবই ভাল। লিখতে সহজ হবে। একটা আদর্শ আর্টিক্যাল খুব বড় বা ছোট হবে না, সুন্দরভাবে সাজানো থাকবে এবং প্রয়োজনীয় রেফারেন্স উল্লেখ থাকবে। পড়ে যেন রিডার বিশ্বাসযোগ্যভাবে তার সমস্যার সমাধান পায়।
আর্টিক্যাল লেখা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন  পেতে এখুনি কথা বলুনঃ ০১৭৪০৯১৩৭৮৯

কি পরিমাণ আর্টিক্যাল লিখতে হবে?
– এর কোন লিমিট নেই আসলে। মোটামুটি ৪০ টি আর্টিক্যাল হলে একটা সাইটের অথোরিটি ভাল হয়। মাসে মোটামুটি ১০ টা আর্টিক্যাল ভালভাবেই লেখা যায়। সে হিসেবে ৪ মাসের মধ্যেই সাইট দাড়িয়ে যায়। আপনি নিজে যেমন লিখতে পারেন তেমনি রাইটার হায়ার করেও আর্টিক্যাল লেখাতে পারেন। মোটামুটি ৫০০ টাকায় আপনি ৫০০/১০০০ শব্দের আর্টিক্যাল মার্কেট থেকে লেখাতে পারবেন।

ভাল রাইটার কিভাবে জোগাড় করবেন  জানতে হলে নক করুনঃ ০১৭৪০৯১৩৭৮৯

ভিজিটর পাবো কিভাবে?
– সোশাল মিডিয়া। এটা বেস্ট ট্রাফিক সোর্স এই মুহুর্তে। নিজের প্রোফাইল থেকে শেয়ার করা, গ্রুপ জয়েন করে লিংক বিল্ডিং করা, পেজ খুলে আর্টিক্যাল শেয়ার করা। দরকার হলে টাকা দিয়ে এড ও দেয়া যায় ফেসবুকে।
এছাড়া আপনি গুগলে কিওয়ার্ড র‍্যাংক করেও ট্রাফিক পেতে পারেন।
সাইটের ভিজিটর বাড়ানোর টোটাল সল্যুশন পেতে এখুনি ডায়াল করুনঃ ০১৭৪০৯১৩৭৮৯

ওয়েবসাইট তৈরি করা থেকে শুরু করে মার্কেটিং পর্যন্ত যেকোনো বিষয়ে অনেস্ট সাজেশন পেতে যেকোনো সময় নক করতে পারেন আমাদেরঃ
ফেসবুকে মেসেজ করুনঃ

https://www.facebook.com/bestwebdevcompany/
ইমেইল করুনঃ support@micropress.me

আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস আপনাকে স্বাবলম্বী করতে এতটুকু সাহায্য করলেও নিজেকে সার্থক মনে করব।

তাহলে ভাবনা চিন্তা বাদ দিয়ে কাজে লেগে পড়ুন। কোন সমস্যায় বা সাজেশন লাগলে আমরা তো আছিই। হ্যাপি ব্লগিং।